ছাত্র ইউনিয়ন জাবি শাখার (একাংশ) সভাপতি অদ্রি অংকুর বলেন, ‘করোনাকালের অভিজ্ঞতায় অনলাইন শিক্ষা প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৈষম্য তৈরি করেছে। তাই এ সিদ্ধান্ত শিক্ষাবান্ধব নয়। শিল্প ও সরকারি খাতে বিদ্যুৎ অপচয় নিয়ন্ত্রণের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন আছে আমাদের।’
শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইমরান হাসান শুভ বলেন, ‘অনলাইন ক্লাসে কতটুকু জ্বালানি সাশ্রয় হবে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। অনেক শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সুবিধা না থাকায় ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে পড়বে।’
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাহত করে এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান নেতাকর্মীরা।