সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জানান, রবিবার সকালে অ্যালেক নিল ভ্যান্সের জন্ম হয়েছে।
তিনি বললেন, ‘ঊষা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছে। আর আমাদের অন্য সন্তানরা তাদের ছোট ভাইকে পেয়ে দারুণ আনন্দিত।’ এ সময় তিনি ওয়াল্টার রিড মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ও কর্মীদের সেবার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, ১৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে দায়িত্বে থাকা কোনো মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের ঘরে এই প্রথম সন্তানের জন্ম হলো।
জেডি ও ঊষা ভ্যান্স দম্পতির আরও তিন সন্তান রয়েছে। তারা হলো—৯ বছর বয়সী ইওয়ান, ৬ বছর বয়সী বিবেক এবং ৪ বছর বয়সী মিরাবেল।
ঊষা ভ্যান্স ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোর শ্রমজীবী অধ্যুষিত উপশহরে জন্ম ও বেড়ে ওঠেন। তার বাবা একজন যন্ত্রপ্রকৌশলী এবং মা একজন আণবিক জীববিজ্ঞানী। তারা ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন করেছিলেন।
২০১০ সালে ইয়েল ল’ স্কুলে পড়ার সময় ‘শ্বেতাঙ্গ আমেরিকার সামাজিক অবক্ষয়’ বিষয়ে একটি আলোচনাচক্রে অংশ নিতে গিয়ে জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে ঊষার পরিচয় হয়।
ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম সোচ্চার কণ্ঠ জেডি ভ্যান্স দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে জন্মহার বাড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন।
সম্প্রতি প্রকাশিত তার বইয়ে ভ্যান্স লিখেছেন, শুরুতে ঊষা আরেকটি সন্তান নিতে অনিচ্ছুক ছিলেন। তবে গত বছর রক্ষণশীল প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব চার্লি কার্ক নিহত হওয়ার পর তার সেই অবস্থান বদলে যায়।
বইয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমার বন্ধুকে সমাহিত করার কিছুদিন পরই সে আমাদের চতুর্থ সন্তান, একটি ছেলের গর্ভধারণ করে। আমাদের কাছ থেকে একটি জীবন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু আরেকটি জীবন আমাদের দেওয়া হয়েছে।’