নকআউটে বেশ ভুগতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। কেপ ভার্দে, মিশর, তারপর সুইজারল্যান্ড। প্রত্যেকেই নাভিশ্বাস ছুটিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের উদাহরণ তৈরি করে আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালেও তারা পিছিয়ে পড়েছিল। কিন্তু শেষ বলে কথা নেই। শেষ দিকে আবার বাজিমাত করল তারা। ইংল্যান্ডের ৬০ বছরের আক্ষেপকে আরও বাড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে আলবিসেলেস্তেরা।
প্রথমার্ধে কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি দুই দল। কেউই লক্ষ্যে শট রাখতে পারেনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি বদলে যায়। ইংল্যান্ড আচমকা লিড নেয়। অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে তারা ৬০ বছর পর ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু ওই গোলের পর থেকে তারা রক্ষণেই ব্যস্ত ছিল। সেই সুযোগ নিয়ে বক্সের বাইরে থেকে আক্রমণ চালায় আর্জেন্টিনা। তারপর গোলও পেয়ে যায়। এনজো ফার্নান্দেজ, তারপর লাউতারো মার্তিনেজ জালের দেখা পান। দুটি গোলেই অ্যাসিস্ট করেন মেসি। আগামী ১৯ জুলাই তারা ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে।